বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার অদম্য প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী, বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজকর্মী ডা. জুবাইদা রহমান।
আজ (রোববার) ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬’ উদযাপন ও ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান এবং একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
ডা. জুবাইদা এসময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি মনোবল। শত অত্যাচার ও অবিচারের মধ্যেও খালেদা জিয়া ছিলেন আপোসহীন, ধৈর্য্যশীল ও অবিচল।
বেগম জিয়ার জীবন থেকে নারীর দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের সাহস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য করেন জুবাইদা রহমান ।
তিনি জানান, দেশের নিষ্পেষিত ও নিপীড়িত মানুষের জন্য খালেদা জিয়ার হৃদয় সবসময় কেঁদেছে এবং তাঁর বজ্রকণ্ঠ স্বৈরশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল।
তারেক রহমানের সহধর্মিণী বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) একজন মা, যোদ্ধা এবং ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় কণ্ঠস্বর; গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক।
জাতিসংঘের একটি বহুল প্রচলিত উক্তি উল্লেখ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ বলেন, ‘নারী যখন এগিয়ে যায়, তখন একটি জাতিও এগিয়ে যায়।’
জুবাইদা রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে প্রতিটি নারী ও কন্যাশিশু নিরাপদ, মর্যাদাবান এবং সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী হবেন।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ সমতা, মর্যাদা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার নতুন অঙ্গীকারের দিবস হিসেবে পালিত হোক।
অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে আয়োজনের জন্য তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।
আরও বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন; বাংলাদেশে ইউএনডিপি-এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিনাত আরা।