Skip to content
👁 430 Views
ঢাকা : দেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড . আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে ’ শহীদ ও আহতদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণসহ সংশ্লিষ্টদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর ২৪ মার্চ মঙ্গলবার প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা –কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ , কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই ১৮০ দিনের কর্মসূচি , ২০২৬ –২০২৭ অর্থ বছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন , শিক্ষা খাতে আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান টিচার , ওয়ান ট্যাব ’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম , বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা , সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড , ওয়ান ট্রি ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস ) প্রদান , বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কুরআনদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও জোর দেন তিনি।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। জাতীয়করণকৃত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সি শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন।
সভায় সিদ্ধান্ত হয় , আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। একই সাথে খুব দ্রুততম সময়ে সারা দেশে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
পাশাপাশি , এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক , কারিগরি , মাদ্রাসা এবং স্কুল –কলেজের সকল শিক্ষকদের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সভায় গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা ’দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন।
এ ছাড়া , শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ কর্মসূচি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন , ‘বাংলাদেশের মানুষের যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য। ’
📸 Photo Card Generate
শিক্ষাখাতে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
www.positivebdnews24.com
Post navigation