👁 356 Views

‘জনগণের ওপর আস্থা রাখুন: সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা.জাহিদ হোসেন

মোরশেদ মানিক

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘জনগণের ওপর আস্থা রাখুন। বিচারের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দিন। বিচার নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেয়ে জনগণের হাতে সেই বিচার হলে সেটিই হবে প্রকৃত, সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য বিচার।’

বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় দিনাজপুরের বিরামপুরে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিয়া শফিুকল আলম মামুন। সমাবেশে বিশেষ অতিথিরর বক্তব্য রাখেন শহীদ আশিকুরের পিতা ফরিদুর রহমান।

মঞ্চে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা রঞ্জু  ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি তোছাদ্দেক হোসেন তোছা, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী রুবেল চৌধূরী, সহ-সভাপতি প্রফেসর দবিরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইব্রাহীম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদকদ্বয় নূর ইসলাম ও নূরে আলম,  পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির, অংগ সংগঠনের উপজেলা ও পৌর নেতৃবৃন্দ, ইউপি চেয়ারম্যান হুুমায়ন কবির বাদশা, আবুল কালাম ও আব্দুর রাজ্জাক, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী ডা: জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। তাই কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। আইন ও ন্যায়বিচারের প্রতি সম্মান রেখে জনগণের মতামত এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অতীতে জনগণ বারবার প্রমাণ করেছে যে, অন্যায়, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে পারে। জনগণের রায় ও সিদ্ধান্তই একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে জনগণের অংশগ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘প্রতিহিংসা কিংবা আবেগের বশবর্তী হয়ে বিচার নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনো সভ্য সমাজের জন্য কাম্য নয়। আইনের শাসন ও জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলেই একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।’

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে শান্তি, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জনগণের শক্তির ওপর বিশ্বাস রেখেই একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *