কাশী কুমার দাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম হাবিবুল হাসান বলেছেন আমিষের ঘাটতি পূরণের জন্য ডিম-দুধ ও মাংসের প্রয়োজন রয়েছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর পুষ্টির জন্য প্রাণী সম্পদের উন্নয়নে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে চলছে। গাভি, ছাগল এর পাশাপাশি হাঁস মুরগী পালনে জনগণকে উৎসাহিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশন শিশুদের ও তাদের পরিবারকে আর্র্থিক স্বাভলম্বি করতে এই মুরগী প্রদান করা হচ্ছে।১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার শহরের মাতাসাগর, লালুপাড়াস্থ পালকীয় কেন্দ্র প্রাঙ্গণে দিনাজপুর এডিপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্পন্সার শিশু এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে ১০১জন শিশুদের মাঝে প্রতি শিশুকে ৭টি করে মুরগী বিতরণ করতে গিয়ে এবং প্রাণিসম্পদ বৃদ্ধি বিষয়ক অভিযান-২০২৬ এর উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন।
দিনাজপুর এপির সিনিয়র ম্যানেজার সেবাষ্টিয়ান পিউরীফিকেশন এর সভাপতিত্বে পশু সম্পদের উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ দিনাজপুর এপির লাইভলিহুড টেকনিক্যাল স্পেশালিষ্ট দিবা রোজারিও। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন দিনাজপুর এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম অফিসার পেট্টিক রেমো। মুরগী পালনে এবং রোগ বালাই থেকে নিরাপদে রাখতে বিস্তারিত আলোচনা করেন সম্মানিত অতিথি উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার মোছাঃ শাহিনা বেগম। সভাপতির বক্তব্যে এরিয়া কো-অডিনেশন অফিস ওয়ার্ল্ড ভিশন, দিনাজপুর এপির সিনিয়র ম্যানেজার সেবাষ্টিয়ান পিউরীফিকেশন বলেন নিবন্ধিত ও নির্ধারিত শিশু এবং তাদের পরিবারের জন্য আমিষের ঘাটতি পূরণের জন্য এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বি হতে পশু পালন বিশেষ করে মুরগী পালন যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করবে। তবে এই মুরগী বিক্রি করা যাবে না। পালন করে আপনার সন্তানদের ডিম ও মাংস খাবাবেন ।